Cancel Preloader
কবিতা

যাবে কোথায়? – আশেকে রাসুল সালাউদ্দিন

ওহে মুসলমানখোঁজ দিল কোরআনগুরুর কৃপা হলেজানবে আত্মতত্ত¡ভেদ রহস্যের দুনিয়ায়ডুবুরির মতো ডুবে যাওসাগর অতলান্ত।পেলেও পেতে পারোমণি, মুক্তা, কাঞ্চন।তোমার মাঝে তুমিআমার মাঝে আমিঅন্তর্দৃষ্টিতে দেখবে সাঁইভেদ রহস্যের কূল কিনারা নাহি পাই।এশকের আগুনে পুুড়েমনের কালিমা মুছেযদি হয় ইসমে আজম জপমালা।লক্ষ্য স্থির করে করো সাধনাকোথায় ছিলে, যাবে কোথায়?সূর্যালোকে জলীয় বাষ্প হয়েউড়ে বেড়াও আকাশে, মেঘমালা হয়ে,হাকিকতের মেঘমালাঘর্ষণ, মন্থন, বিদ্যুৎ চমকানো গর্জনপাহাড়ের […]আরও পড়ুন

কবিতা

মোর্শেদের দরবারে গোলামি – ড. মুহাম্মদ নাছিরউদ্দীন সোহেল

মহান মোর্শেদের দরবারে করে গোলামি,হৃদয়ে পাওয়া যায় শান্তি জানে অন্তর্যামী। ইমাম কুদরত এ খোদা বলেন যদি করো গোলামি,আমিত্ব তোমার হয়ে দূর, শুদ্ধ মানুষ হবে তুমি। সাধনায় পূর্ণতা লাভের বাধা হলো আমিত্ব অহংকার,গোলামি করে অহংকার থেকে পাওয়া যায় প্রতিকার। নিজের ভিতর যদি থাকে অহংকার আমিত্ব,ক্বালবে আল্লাহ্র নুর হবে না কখনো প্রজ্বলিত। মোর্শেদের দরবারে মুরিদ যদি ভাবে […]আরও পড়ুন

কবিতা

হৃদয়ের ধন – অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান মিয়া

মহান আল্লাহ্র প্রিয় বন্ধুরাসুলের উত্তরসূরি যিনি,সূফী সম্রাটের ওফাতের পূর্বেইমামতের দায়িত্ব পেলেন তিনি।আশেকে রাসুলদের হৃদয়ের বাতিঘরযিনি প্রাণের চেয়েও আপন,এমনই এক মহামানব তিনিযিনি আশেকদের হৃদয়ের ধন।তিন কোটি আশেকে রাসুলঅতি ভক্তি সহকারে,শোনে তাঁর অমিয় বাণীপরম শ্রদ্ধা ভরে।মানুষের জন্য ব্যাকুল যিনিথাকেন সদা সর্বদা,তিনিই হলেন মহান অলীইমাম ড. কুদরত এ খোদা।আরও পড়ুন

প্রবন্ধ

জীবনচরিত – হযরত শেখ শরফুদ্দিন বু-আলী শাহ কালান্দর পানিপথি (রহ.)

ভারতীয় উপমহাদেশে যে কয়জন সুফিসাধক ইসলাম প্রচার করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হযরত শেখ শরফুদ্দিন বু-আলী শাহ কালান্দর পানিপথি (রহ.)। তিনি চিশতিয়া তরিকার একজন সুফিসাধক। ভারতের পানিপথে তাঁর পবিত্র দরগাহ (মাজার) অবস্থিত, যা একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান। তাঁর আসল নাম শেখ শরফুদ্দিন, কিন্তু তিনি বু-আলী শাহ নামেই অধিক পরিচিত। তাঁর পিতার নাম হযরত শেখ ফখরউদ্দিন (রহ.), যিনি […]আরও পড়ুন

অলৌকিক

অলৌকিক কারামত- মহান মোর্শেদের দয়ায় চাকুরিতে পদোন্নতি

শাহরিয়ার মাহমুদ চৌধুরী: নবুয়তের যুগে নবি-রাসুলগণের মাধ্যমে যে সকল অলৌকিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল তাকে মু‘জিঝা বলা হয়, আর বেলায়েতের যুগে অলী-আল্লাহ্গণের মাধ্যমে সংঘটিত ঘটনাকে কারামত বলা হয়। অলী-আল্লাহ্গণ আল্লাহ্র ঐশী জ্ঞান ও শক্তির অধিকারী হন, ফলে কী করলে মানুষের সমস্যা দূর হবে সে বিষয়ে তাঁরা পূর্ণ ওয়াকিবহাল থাকেন। সুতরাং বিশ^াসের সাথে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী চললে, […]আরও পড়ুন

প্রবন্ধ

মহামানবের সান্নিধ্য লাভের প্রয়োজনীয়তা

লুৎফুল্লাহিল মাজিদ: মহান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে যুগে যুগে মহামানবগণ নবি-রাসুল ও অলী-আল্লাহরূপে প্রেরিত হয়েছেন। বেলায়েতের যুগে অলী-আল্লাহ্গণ প্রেরণের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। আল্লাহর প্রেরিত মহামানবগণ ষড়রিপু আক্রান্ত ব্যক্তির অন্তরের কলুষতা দূর করে আত্মশুদ্ধি করার মহান দায়িত্ব পালন করেন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির প্রেমের ঐশী বন্ধন রচনায় আল্লাহ্ প্রেরিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা সমুজ্জ্বল। তাঁদের জীবনাদর্শ, […]আরও পড়ুন

প্রবন্ধ

শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার ফজিলত ও মর্যাদা

হযরত সাব্বির আহমদ ওসমানী: সারা বছরে একটি বরকতময় মাস হচ্ছে রমজান। যে মাসে আমল করা অধিক ফজিলতপূর্ণ কাজ। পবিত্র রমজান মু’মিনের আমলের সঠিক সময়। এ মাসের আমলগুলো যেন সারা বছর অব্যাহত থাকে সেটাই এর প্রধান শিক্ষা। পবিত্র কুরআনে রোজা রাখার নির্দেশের পরই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কথা এসেছে। এরশাদ হয়েছে- “তোমাদের সৎপথে পরিচালিত করার দরুন আল্লাহ্র মহিমা […]আরও পড়ুন

প্রবন্ধ

শাওয়াল মাসের পূর্ণিমার চাঁদে সূফী সম্রাটের চেহারা মোবারক

হযরত এম. আমিরুল ইসলাম: একমাস রমজানের রোজা রাখার পর পুরস্কারের বা আনন্দের ঈদ তথা শাওয়ালের চাঁদ প্রতিবছর ঘুরে আসে, যা সকল মুসলমানের আনন্দের দিন। তাঁর সাথে আরেকটি খুশি মহান আল্লাহ্ দান করেছেন মোর্শেদ প্রেমিকদেরকে। তা হচ্ছে শাওয়ালের পূর্ণিমার চাঁদে সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেব্লাজানের নুরানিময় চেহারা মোবারকের প্রতিচ্ছবি চাঁদে দেখান। যা […]আরও পড়ুন

নিবন্ধ

হজের বিধিবিধান ও ধারাবাহিক আমল (১ম পর্ব)

হযরত তরিকুল ইসলাম তারিফইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হজ। হজ দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত। হজ ইসলামের অন্যতম রুকন ও ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর জীবনে একবার হজ ফরজ। এজন্য গরিবের জন্য হজ ফরজ নয়। মহান আল্লাহ্র নৈকট্য লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো হজ। মহান আল্লাহ্র নৈকট্য ও সন্তুষ্টির জন্য প্রতিবছর অসংখ্য হাজি আল্লাহ্র ঘরের জিয়ারতে […]আরও পড়ুন

প্রবন্ধ

হযরত আদম (আ.)-এর পুত্র হাবিলের কোরবানি কবুলের অলৌকিক ঘটনা

মু‘জিঝাতুল আম্বিয়া (পর্ব-০৫) হযরতুল আল্লাম এমরান হোসাইন মাজহারীমহান রাব্বুল আলামিন হলেন বিশ্বজাহানের সৃষ্টিকর্তা। তিনি যখন একা অবস্থান করছিলেন তখন তিনি কাউকে ভালোবাসবেন এবং কারো ভালোবাসা পাবেন এ অভিলাশে সৃষ্টিজগৎ সৃজন করেছেন। তাই মানুষ যখন তাঁকে ভালোবেসে তাঁর হুকুম-আহকাম মতো পরিচালিত হয়, তখন মহান আল্লাহ্ অত্যন্ত আনন্দিত হন। এর ফলে বান্দার প্রতি দয়াময় আল্লাহ্ তাঁর দয়া […]আরও পড়ুন