শান্তির দূত হযরত রাসুল (সা.)


ড. মোবারক হোসেন
মহান রাব্বুল আলামিনের সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধু হলেন শান্তির দূত হযরত রাসুল (সা.)। এই মহামানবের সৃষ্টি না হলে এ ধরা পৃষ্ঠের কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না, তাঁর পদচারণে পৃথিবী হয়েছে ধন্য, জাগ্রত হয়েছে মহান রাব্বুল আলামিনের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা। অন্তরের পবিত্রতা, আত্মার মহত্ত¡, ধৈর্য, ক্ষমা, সততা, নম্রতা, বদান্যতা, আমানতদারী, সুরুচিপূর্ণ মনোভাব, ন্যায়পরায়ণতা, উদারতা ও কঠোর কর্তব্যনিষ্ঠা ছিল তাঁর চরিত্রের ভূষণ; তিনি ছিলেন স্বামী হিসেবে প্রেমময়, পিতা হিসেবে স্নেহের আধার, সঙ্গী হিসেবে বিশ্বস্ত; তিনি ছিলেন সফল ব্যবসায়ী, সংস্কারক, ন্যায় বিচারক, মহৎ রাজনীতিবিদ এবং সফল রাষ্ট্রনায়ক; তিনি হলেন সর্বকালের সর্বযুগের এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। তিনি এমন এক সময় পৃথিবীর বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন যখন আরবের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থা অধঃপতনের চরম সীমায় নেমে গিয়েছিল। আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধু ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে আগস্ট মোতাবেক হিজরিপূর্ব ৫৩ সালের ১২ই রবিউল আউয়াল সোমবার প্রত্যুষে আরবের মক্কা নগরীতে সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মাতা হযরত আমেনা (আ.)-এর গর্ভে শুভ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের কয়েক মাস পূর্বে পিতা হযরত আবদুল্লাহ (আ.) ওফাত লাভ করেন। আরবের তৎকালীন অভিজাত পরিবারের প্রথানুযায়ী তাঁর লালনপালন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পিত হয় বনি সাদ গোত্রের বিবি হালিমা (রা.)-এর উপর। এ সময় বিবি হালিমা (রা.)-এর আরেক পুত্র সন্তান ছিল, যার দুধ পানের সময় তখনো শেষ হয়নি। বিবি হালিমা (রা) বর্ণনা করেন, “শিশু মোহাম্মদ কেবলমাত্র আমার ডান স্তনের দুধ পান করত। আমি তাঁকে আমার বাম স্তনের দুধ দান করতে চাইলেও, তিনি কখনো বাম স্তন হতে দুধ পান করতেন না। আমার বাম স্তনের দুধ তিনি তাঁর অপর দুধ ভাইয়ের জন্যে রেখে দিতেন। দুধ পানের শেষ দিবস পর্যন্ত তাঁর এ নিয়ম বিদ্যমান ছিল।” ইনসাফ ও সাম্যের মহান আদর্শ তিনি শিশুকালেই দেখিয়ে দিয়েছেন। ৫ বছর তিনি ধাত্রী মা হালিমা (রা.)-এর তত্ত¡াবধানে ছিলেন। এরপর ফিরে আসেন মাতা আমেনা (আ.)-এর গৃহে। ৬ বছর বয়সে তিনি মাতা হযরত আমেনা (আ.)-এর সাথে পিতার কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মদীনা যান এবং মদীনা হতে প্রত্যাবর্তনকালে আবাহ নামক স্থানে মাতা আমেনা (আ.) ওফাত লাভ করেন। এরপর হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর লালনপালনের দায়িত্ব অর্পিত হয় ক্রমান্বয়ে দাদা আবদুল মোত্তালিব (আ.) ও চাচা আবু তালিব (রা.)-এর উপর। তিনি গড়ে ওঠেন সত্যবাদী, পরোপকারী এবং আমানতদারী হিসেবে। হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর সততা, বিশ্বস্ততা, চিন্তা চেতনা, কর্ম দক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতায় মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন আরবের ধনাঢ্য ও বিধবা মহিলা বিবি খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ (রা.) বিবাহের প্রস্তাব দেন। এ সময় বিবি খাদিজা (রা.)-এর বয়স ছিল ৪০ বছর এবং হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর বয়স ছিল ২৫ বছর। তিনি চাচা আবু তালিব সম্মতিক্রমে বিবি খাদিজার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। বিবাহের পর বিবি খাদিজা (রা.) তাঁর ধনসম্পদ হযরত মোহাম্মদ (সা.) হাতে তুলে দেন।


শান্তি প্রতিষ্ঠায় হযরত রাসুল (সা.) বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের নিয়ে একটি সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং একটি আন্তর্জাতিক সনদপত্রও স্বাক্ষরিত হয়, যা ইসলামের ইতিহাসে ‘মদীনা সনদ’ নামে পরিচিত। পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই ছিল প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র বা সংবিধান। উক্ত সংবিধানে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার, জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা ঘোষণা করা হয়। হযরত মোহাম্মদ (সা.) হন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি যে একজন দূরদর্শী ও সফল রাজনীতিবিদ এখানেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। মদীনা সনদ নাগরিক জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্থাপিত হয় ঐক্য। হযরত রাসুল (সা.) তলোয়ারের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং আদর্শ চরিত্র উদারতার মাধ্যমেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর চালচলন, কথাবার্তা, সততা ও উদারতায় মুগ্ধ হয়ে যখন দলে দলে লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করতে লাগল তখন কুরাইশ নেতাদের মনে হিংসা ও শত্রুতার উদ্রেক হয়। অপরদিকে মদীনার কতিপয় বিশ্বাসঘাতক হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রাধান্য সহ্য করতে না পেরে গোপনভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। কাফেরদের বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করার জন্যেই মোহাম্মদ (সা.) প্রতিরোধ যুদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ফলে ঐতিহাসিক বদর, উহুদ ও খন্দকসহ অনেকগুলো যুদ্ধ সংগঠিত হয়। হযরত রাসুল (সা.) গাজওয়া ও সারিয়া মিলে সর্বমোট ৮৫টি যুদ্ধ করেছিলেন।


৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ মোতাবেক ৬ষ্ঠ হিজরিতে ১৪০০ নিরস্ত্র সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে হযরত মোহাম্মদ (সা.) মাতৃভূমি দর্শন ও পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যে কুরাইশ বাহিনী কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ইসলামের ইতিহাসে ‘হুদায়বিয়ার সন্ধি’ নামে পরিচিত। সন্ধির শর্তাবলির মধ্যে এ বিষয়গুলো উল্লেখ ছিল যে- (১) মুসলমানগণ এ বছর ওমরা আদায় না করে ফিরে যাবে, (২) আগামী বছর আগমন করবে, তবে ৩ দিনের বেশি মক্কায় অবস্থান করতে পারবে না, (৩) যদি কোনো কাফের স্বীয় অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত মুসলমান হয়ে মদীনায় গমন করে তাহলে তাকে মক্কায় ফিরিয়ে দিতে হবে। পক্ষান্তরে, মদীনা হতে যদি কোনো ব্যক্তি পলায়নপূর্বক মক্কায় চলে আসে, তাহলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে না, প্রথম থেকে যে সকল মুসলমান মক্কায় বসবাস করছে তাদের কাউকে সাথে করে মদীনায় নিয়ে যাওয়া যাবে না। আর মুসলমানগণের মধ্যে যারা মক্কায় থাকতে চায় তাদেরকে বিরত রাখা যাবে না, (৫) আরবের বিভিন্ন গোত্রগুলোর এই স্বাধীনতা থাকবে যে, তারা উভয়পক্ষের (মুসলমান ও কাফের) মাঝে যাদের সঙ্গে ইচ্ছে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে, (৬) সন্ধিচুক্তির মেয়াদের মধ্যে পর্যন্ত শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে যাতায়াতের সম্পর্ক চালু রাখতে পারবে। এছাড়া কুরাইশ প্রতিনিধি সুহায়েল বিন আমর সন্ধিপত্র থেকে ‘বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম’ এবং ‘মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ বাক্য দুটি কেটে দেওয়ার জন্যে দাবি করেছিল। কিন্তু সন্ধিপত্রের লেখক শেরে খোদা হযরত আলী (কা.) তা মেনে নিতে রাজি হলেন না। অবশেষে হযরত রাসুল (সা.) সুহায়েল বিন আমরের আপত্তির প্রেক্ষিতে ‘বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম’ এবং ‘মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ বাক্য দুটি নিজ হাতে কেটে দেন এবং এর পরিবর্তে সুহায়েল বিন আমরের দাবি অনুযায়ী ‘বিছমিকা আল্লাহুম্মা’ লিখার নির্দেশ দেন। সুতরাং বাহ্যিক দৃষ্টিতে এ সন্ধি মুসলমানদের জন্যে অনুকূল না হলেও তা হযরত মোহাম্মদ (সা.)-কে অনেক সুযোগ সুবিধা ও সাফল্য এনে দিয়েছিল। এ সন্ধির মাধ্যমে কুরাইশরা হযরত রাসুল (সা.)-এর রাজনৈতিক সত্তাকে একটি স্বাধীন সত্তা হিসেবে স্বীকার করে নেয়। সন্ধির শর্তানুযায়ী অমুসলিমগণ মুসলমানদের সাথে অবাধে মেলামেশার সুযোগ পায়। ফলে অমুসলিমগণ ইসলামের বাণী উপলব্ধি করতে থাকে এবং দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। এ সন্ধির পরই হযরত রাসুল (সা.) বিভিন্ন দেশের রাজাদের নিকট ইসলামের দাওয়াত নিয়ে পত্র প্রেরণ করেন এবং অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করেন। এমনিভাবে মানবাধিকার সম্পর্কিত বহু বাণী তিনি বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে পেশ করে যান। তিনি হলেন উত্তম চরিত্রের অধিকারী, মানবজাতির একমাত্র আদর্শ এবং বিশ্বজাহানের রহমত হিসেবে প্রেরিত।


হযরত মোহাম্মদ (সা.) তাঁর নবুয়তের ২৩ বছরের প্রচেষ্টায় আরবের একটি অসভ্য ও বর্বর জাতিকে সভ্য ও সুশৃঙ্খল জাতিতে পরিণত করেছিলেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমূল সংস্কার সাধিত হয়। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চিরাচরিত গোত্রীয় পার্থক্য তুলে দিয়ে, তিনি ঘোষণা করেন, অনারবের উপর আরবের এবং আরবের উপর অনারবের; কৃষ্ণাঙ্গের উপর শ্বেতাঙ্গের এবং শ্বেতাঙ্গের উপর কৃষ্ণাঙ্গের কোনো পার্থক্য নেই। বরং তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে অধিক মুত্তাকিন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি সুদকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং জাকাতভিত্তিক অর্থনীতির মাধ্যমে এমন একটি অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেখানে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক তাদের আর্থিক নিরাপত্তা লাভ করেছিল। সামাজিক ক্ষেত্রে নারীর কোনো মর্যাদা ও অধিকার ছিল না। হযরত মোহাম্মদ (সা.) নারী জাতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করলেন এবং ঘোষণা করলেন “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত। নারী জাতিকে শুধু মাত্র মাতৃত্বের মর্যাদাই দেননি, উত্তরাধিকার ক্ষেত্রেও তাদের অধিকারকে করেছেন সমুন্নত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। ক্রীতদাস আজাদ করাকে তিনি উত্তম ইবাদত বলে ঘোষণা করেন। মূর্তিপূজা, অগ্নিপূজা এবং বিভিন্ন বস্তুর পূজা আরববাসীদের জীবনকে কলুষিত করেছিল সেখানে তিনি আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করেন। মূলত তিনি এমন একটি অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেখানে কোনো হানাহানি, রাহাজানি, বিশৃঙ্খলা, শোষণ, জুলুম, অবিচার, ব্যভিচার, সুদ, ঘুষ ইত্যাদি ছিল না।


হযরত রাসুল (সা.)-এর জীবনী লিখতে গিয়ে খ্রিষ্টান লেখক ঐতিহাসিক উইলিয়াম মুর বলেছেন, হযরত মোহাম্মদ (সা.) যে যুগে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন তাকে শুধু সে যুগেরই একজন মনীষী বলা হবে না, বরং তিনি ছিলেন সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মনীষী। শুধুমাত্র ঐতিহাসিক উইলিয়াম মুরই নন, পৃথিবীর বুকে যত মনীষীর আবির্ভাব ঘটেছে প্রায় প্রত্যেকেই হযরত মোহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে তাঁদের মূল্যবান বাণী পৃথিবীর বুকে রেখে গেছেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “তোমাদের জন্যে আল্লাহর রাসুল হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।” (সূরা আহযাব ৩৩: আয়াত ২১) বর্তমান অশান্ত, বিশৃঙ্খল ও দ্ব›দ্বমুখর আধুনিক বিশ্বে হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শকে অনুসরণ করা হলে বিশ্বে শান্তি ও একটি অপরাধমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা নিঃসন্দেহে সম্ভব।


হযরত রাসুল (সা.) বিশ্বজাহানে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি সর্বক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিত্ব, চিন্তা চেতনা মানুষকে শান্তি ও সুখের পথে পরিচালনার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ্য নেতা এবং ইমামুল মুরসালিন। মানবতার বার্তাবাহক ও শান্তির দূতস্বরূপ শুভ আগমন করেছেন। হযরত রাসুল (সা.) মানবতার ধর্ম, শান্তির ধর্ম, আর্দশের ধর্ম মোহাম্মদী ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা। এ মোহাম্মদী ইসলাম হৃদয়ে ধারণ করে অসংখ্য মানুষ মুক্তির সন্ধান পেয়েছেন, এখনো পাচ্ছেন। হযরত রাসুল (সা.)-এর সেই শিক্ষা, আর্দশ, চরিত্র এরং তাঁর সিরাজুম মুনির ধারণ করে তাঁর শান্তির বাণী প্রচার করছেন নবুয়ত পরবর্তী আল্লাহর বন্ধু অলী-আল্লাহ্, যুগের ইমাম ও মোজাদ্দেদগণ। শান্তির এই বাণী প্রচার করেছেন হযরত মাওলা আলী (কা.) থেকে শুরু করে হযরত বড়ো পির হযরত আব্দুল কাদের জিলানি (রহ.), হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (রহ.), মোজাদ্দেদ আল ফেসানি (রহ.), হযরত খাজা বাহাউদ্দিন নকশবন্দি (রহ.), ইমাম শাহ চন্দ্রপুরি (রহ.) এবং সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহ্বুব-এ-খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.)। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান যুগে ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর সারা পৃথিবীতে হযরত রাসুল (সা.)-এর সুমহান আদর্শ প্রচার করছেন। মানুষের মাঝে হযরত রাসুল (সা.)-এর শান্তির বাণী পৌঁছিয়ে দেওয়ার জন্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। হযরত রাসুল (সা.)-এর শুভ জন্মদিনে আমাদের প্রার্থনা আমরা যেন হযরত রাসুল (সা.)-কে জীবনের সকল কিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসতে পারি এবং তাঁর রেখে যাওয়া শান্তির ধর্ম মোহাম্মদী ইসলামের গোলামি করে মুক্তির ব্যবস্থা করতে পারি। আমিন।
[লেখক: ইসলামি গবেষক]

Digiqole ad

সম্পর্কিত পোস্ট