Cancel Preloader

সূফী সম্রাটের অবদান


ড. মো. আরিফ হোসেন
আশুগঞ্জের বাহাদুরপুর গ্রাম জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
পিতা সৈয়দ আব্দুর রশিদ সরকার ও মাতা সৈয়দা জোবেদা খাতুন।
তাঁদের ঘরে জন্ম নিলেন এক সন্তান পুণ্যাত্মা
ফখরে বাংলা তাজুল ইসলাম ‘মাহ্বুব-এ-খোদা’ তাঁর নামকরণ করেন।
সূফী সম্রাটের পূর্ব পুরুষগণ হযরত আলী (রা.)-এর বংশধর,
তাঁরা মদীনা থেকে এসে বাংলাদেশে ইসলাম করেন প্রচার।
সূফী সম্রাটের ছোটোবেলা থেকেই রাসুলকে পাওয়ার ছিল অদম্য বাসনা,
অলী-কুতুবগণ ছদ্মবেশে তাঁর সাথে দেখা করতেন কেহ জানত না।
ভর্তি হলেন মাদ্রাসায় নায়েবে রাসুল হওয়ার আকাঙ্ক্ষায়
অসাধারণ মেধাবী থাকায় বৃত্তি পেয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন মাদ্রাসায়।
সূফী সম্রাট মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার জন্য হলেন আগোয়ান,
১১ এপ্রিল ৭২ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে করেন যোগদান।
ভারতের হেজামারায় তিনি দুটি মসজিদ করেন নির্মাণ,
ঈদুল ফিতরের নামাজে ইমামতি করেন সূফী সম্রাট হুজুর কেবলাজান।
আগামী ঈদুল আজহার আগে দেশ স্বাধীন হবে, শুনুন মুক্তিযোদ্ধাগণ,
সূফী সম্রাটের সেদিনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী মহান আল্লাহ্ করলেন শ্রবণ।
মহান আল্লাহ্ কত অসীম দয়াময়, ঈদুল আজহার পূর্বেই করলেন স্বাধীনতা দান,
রেসকোর্স ময়দানে হাজারও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সূফী সম্রাট ইমাম হয়ে নামাজ পড়ান।

সম্পর্কিত পোস্ট